জলের উপরে রুটি
তোমার রুটি জলের উপরে ভাসিয়ে দাও এবং তোমার অংশ বহু জনের মধ্যে ভাগ করো, কারণ কী বিপর্যয় আসছে তা তুমি জানতে পারো না। যে বাতাসের দিকে চেয়ে থাকে, সে কখনও বীজ বোনে না। সকালে ও সন্ধ্যায় বীজ বোনো, আলো উপভোগ করো, সামনের অন্ধকার দিনগুলি স্মরণ করো, আর জেনো যে ঈশ্বর যৌবনকে বিচারে আনেন।
11 1তোমার রুটি জলের উপরে ভাসিয়ে দাও, কারণ বহু দিন পরে তুমি তা আবার খুঁজে পাবে। 2সাতজনকে, এমনকি আটজনকেও এক এক অংশ দাও, কারণ দেশের উপরে কী বিপর্যয় নেমে আসবে তা তুমি জানো না। 3মেঘ যদি জলে পূর্ণ হয়, তবে তারা পৃথিবীর উপরে বৃষ্টি ঢেলে দেয়; আর গাছ যদি দক্ষিণে বা উত্তরে পড়ে, যেখানে পড়ে সেখানেই তা পড়ে থাকবে। 4যে বাতাসের দিকে চেয়ে থাকে, সে কখনও বীজ বুনবে না, আর যে মেঘ দেখে বিচার করে, সে কখনও ফসল কাটবে না।
5তুমি যেমন বাতাসের পথ জানো না, কিংবা গর্ভবতী নারীর গর্ভে অস্থি কীভাবে গঠিত হয় তা জানো না, তেমনই যিনি সবকিছু নির্মাণ করেন, সেই ঈশ্বরের কাজ তুমি জানতে পারো না।
6সকালে তোমার বীজ বুনো, আর সন্ধ্যায় তোমার হাত অলস হতে দিয়ো না, কারণ কোনটি সফল হবে—এটি না ওটি—কিংবা উভয়ই সমানভাবে ভালো হবে কিনা, তা তুমি জানো না।
আলো মধুর
7আলো মধুর, আর চোখের পক্ষে সূর্য দেখা আনন্দদায়ক।
8তাই কেউ যদি বহু বছর বাঁচে, তবে সে সেই সমস্ত বছরে আনন্দ করুক; কিন্তু সে অন্ধকারের দিনগুলির কথা স্মরণ করুক, কারণ সেগুলি অনেক হবে। যা কিছু আসে, সবই ক্ষণস্থায়ী।
9হে যুবক, তোমার যৌবনে আনন্দ করো, আর তোমার যৌবনের দিনগুলিতে তোমার হৃদয় তোমাকে আনন্দ দিক। তোমার হৃদয়ের পথে ও তোমার চোখের দৃষ্টিতে চলো; কিন্তু জেনে রেখো, এই সমস্ত কিছুর জন্য ঈশ্বর তোমাকে বিচারে আনবেন।
10তাই তোমার হৃদয় থেকে হতাশা দূর করো, আর তোমার দেহ থেকে যন্ত্রণা সরিয়ে ফেলো, কারণ যৌবন ও জীবনের ঊষা ক্ষণস্থায়ী।